কোন_ধরনের_নারীর_যৌ_ন_ক্ষুধা_বেশী..more

Image
          সহ/বাসের সময় একজন নারী তার শরীরের কোথায় বেশী আদর পেতে চায়? অনেক পুরুষ এটা জানেই না সহ/বাসের সময় বা মিলনের আগে শারীরিক তৃপ্তি এবং ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আদর (Foreplay) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারী শরীরের স্পর্শকাতর জায়গাগুলো কোন_ধরনের_নারীর_ ভিন্ন হতে পারে, তবে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ অত্যন্ত সংবেদনশীল। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ১. ক্লিটোরিস (Clitoris) নারীর শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হলো ক্লিটোরিস বা ভগশিন্ম। এতে হাজার হাজার স্নায়ুপ্রান্ত থাকে। যৌ/ন উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে এবং অর্গাজম বা চূড়ান্ত তৃপ্তি পেতে অধিকাংশ নারীর ক্ষেত্রে এই অংশে সঠিক ও মৃদু স্পর্শ সবচেয়ে বেশি কার্যকর। ২. ঘাড় এবং গলা নারীর ঘাড় এবং কানের পেছনের অংশ অত্যন্ত কামোদ্দীপক। মিলন শুরুর আগে এই স্থানে হালকা চুম্বন বা নিঃশ্বাসের স্পর্শ নারীদের দ্রুত উত্তেজিত হতে সাহায্য করে। ৩. স্তন এবং স্তনবৃন্ত (Breasts and Nipples) সহ/বাসের সময় স্তন ও স্তনবৃন্তের আদর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হালকা ম্যাসাজ বা চুম্বন শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা উদ্দীপনা বৃদ্ধি...

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যা...see more

   স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যা






স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে স’হবাস করা যাবে? এমন নানা বিতর্কিত বিষয় অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। এবিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট বিধান রয়েছে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত টপিকটি নিয়ে আমরা কথা বলি কয়েকজন ইসলামী স্কলারের সঙ্গে। কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলেমদের বিশ্লেষণ ও মতামত নিচে তুলে ধরা হলো:




ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিধান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ?




★ইসলামের মৌলিক বিধান:




ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (ব্যভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ।




★কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা:




“আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংযত রাখে-


শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে…” সূরা আল-মুমিনূন (২৩:৫-৬)




এই আয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবলমাত্র স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।




★কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম?




বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি)


মাহরাম নারী- মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, নানি ব্যতীত সকল নারী। এর বাইরে পরকীয়া সম্পর্কের নারী যে কেউই হোক না কেনো- সেটি হারাম।




★বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ ও বিতর্ক:




ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাসী বিষয়টি বর্তমান যুগে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একমাত্র বৈধ সম্পর্ক হলো আইনসম্মত ও শরিয়তসম্মত বিবাহ।




★অনেকেই প্রশ্ন করেন- ইসলামে দাসীর সাথে সহবাস করা বৈধ করা হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে দাসী কারা? বর্তমানে কি দাস প্রথা বিদ্যমান আছে?




উত্তর খুব সহজ- শরীআত সম্মতভাবে দারুল কুফর বা দারুল হারবের বিরুদ্ধে যু্দ্ধ করে বিজয় লাভ করার পর ‍যুদ্ধে যে সকল নারী ও শিশু বন্দি হয় সে সকল নারী-পুরুষদের দাস-দাসী বলা হয়। বনু কুরায়যার যুদ্ধে সা‘দের ফায়সালায় পুরুষদের হত্যা করা হয়েছিল এবং মহিলা ও শিশুদের বন্দি করা হয়েছিল (মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪৩৪০)। ইসলামে দাস-দাসীর হুকুম এখনো বিদ্যমান রয়েছে; রহিত হয়নি। তবে বর্তমানে দাসদাসী নেই। ভবিষ্যতে যদি মুসলিমদের সাথে অমুসলিমদের যুদ্ধ হয় এবং এ যুদ্ধে মুসলিমরা বিজয়ী, তাহলে তারা তাদের মহিলা ও শিশুদের দাস-দাসীতে রূপান্তরিত করতে পারবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। তবে তারা তাদের স্ত্রীদের ক্ষেত্রে অথবা তাদের অধীনস্থ দাসীদের ক্ষেত্রে নিন্দিত হবে না’ (‍মুমিনুন, ২৩/৫-৬)। উল্লেখ্য যে, কোনো স্বাধীন ব্যক্তিকে ক্রয় করা বা অন্য কোনো মাধ্যমে দাস বানানো বৈধ নয়। কাজের মহিলারা দাসী নয়।




★সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত:




ইসলামে স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো নারীর সাথে সহবাস করা সম্পূর্ণ হারাম। পারিবারিক পবিত্রতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ইসলাম এই বিধান দিয়েছে। আর দাস-দাসী প্রথা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়।

Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more